নোয়াখালীর হাতিয়ায় গ্রাম আদালত প্রকল্পে সাফল্য

Thu, Feb 8, 2018 3:42 PM

নোয়াখালীর হাতিয়ায় গ্রাম আদালত প্রকল্পে সাফল্য
নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ
নোয়াখালীর একমাত্র দ্বীপ উপজেলায় গ্রাম আদালত প্রকল্প বাস্তবায়ন সন্তোষজনকভাবে এগিয়ে চলছে। হাতিয়া  উপজেলার আটটি ইউনিয়ন, হরনি, চানন্দি, নলচিরা, তমরুদ্দিন, সোনদিয়া, বুড়িরচর,জাহাজমারা ও নিঝুমদ্বীপে প্রকল্পের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। বিশেষ করে  প্রান্তিক পর্যায়ের সুবিধাবঞ্চিত দরিদ্র হতঃদরিদ্র মানুষকে ন্যায় বিচার প্রাপ্তির সুযোগ করে দিতেই হাতিয়া উপজেলায় এক বছর আগে গ্রাম আদালত প্রকল্প চালু হয়।
 
বাস্তবায়নের এক বছর পর দেখা গেছে যে পুর্বে মামলার জট লেগেই থাকতো এখন তার আর থাকে না। কারণ গ্রাম আদালত প্রকল্পে অবশ্যই একটি আবেদন ৯০ দিনের মধ্যেই নিষ্পত্তি  করতে হয়। সবচেয়ে সুবিধাজনক হলো, গ্রাম আদালত প্রকল্পে  বিবাদী যদি দোষ স্বীকার করে গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যানের কাছে এসে ক্ষতি পুরণ দিতে রাজি হয় তাহলে অনেক বড় সমস্যাও এক সপ্তাহের মধ্যে মিমাংশা করা সম্ভব হয়।
 
হাতিয়া উপজেলায় এ ধরনের সমস্যা গুলো সহজতর পদ্বতিতে নিষ্পত্বি করায় মামলার জট নেই বললেই চলে। স্বল্প সময়ে কম খরচে সঠিক বিচার পেতে ‘চলো যাই গ্রাম আদালতে বিষযটি যদি এভাবে বলা হয় যে স্বল্প সময়ে কম খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই হাতিয়া উপজেলার প্রতিটি গ্রাম আদালতে, তাহলে ভুল বলা হবেনা। কারণ, গ্রাম আদালতের প্রতিটি আইনের ধারাও বিধিমালা অনুসরন করার জন্য ইউনিয়ন পযার্য়ে কর্মরত আদালত সহকারিদের প্রতি নির্দেশ দেয়া আছে।
 
 ইউনিয়ন পর্যায়ে বিচারিক কাঠামো শক্তিশালী করনের জন্য ও ছোটখাটো বিরোধ নিষ্পত্বিকল্পে প্রকল্পভুক্ত আটটি ইউনিয়নে পাঁচজন বিচারক প্রতিনিধি সম্বলিত এজলাশ স্থাপন করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জাহাজমারা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত চেয়ারম্যান জনাব, এ্যডভোকেট মাসুম বিল্লাহ বলেন -ইউনিয়ন পর্যায়ে আসলেই যে বিচার নিষ্পত্ত্বির ব্যবস্থা রয়েছে তা স্থানীয় জনসাধারন এজলাশ স্থাপন করার ফলে অনুধাবন করতে পেরেছেন।
 
গ্রাম আদালত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্বে আছে, গনপ্রজাতন্ত্রী  বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার বিভাগ, অর্থায়ন করেছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন, ও জাতিসংঘের দাতা সংস্থা UNDP, কারিগরি সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাষ্ট (ব্লাস্ট)।
 

 


সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
উপরে যান