সন্ত্রাস দমনে  শেখ হাসিনা সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অনেক দেশের জন্যেই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত: হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটি সাউথ এশিয়া ইনষ্টিটিউট

Fri, Feb 9, 2018 5:56 PM

সন্ত্রাস দমনে  শেখ হাসিনা সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অনেক দেশের জন্যেই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত: হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটি সাউথ এশিয়া ইনষ্টিটিউট
  • হাবিবুর রহমান হেলাল, জার্মানিঃ 
সব ধরনের সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ দমনে বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের আবারও  প্রশংসা করেছেন জার্মানীর হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটি সাউথ এশিয়া ইনষ্টিটিউট
ফেব্রুয়ারি হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটি সাউথ এশিয়া ইনষ্টিটিউট এর প্রধান ডঃ র্মাটিন গাইজেলমান এর  নিমন্ত্রণে হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটিতে  এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়আলোচনাসভায় বিশ্ব সন্ত্রাসবিরোধী সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড এন্টি টেরোরিজম অরগানাইজেশন’ এর প্রভাবশালী সদস্যদের উপস্থিতিতে মতবিনিময় সভায় হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটি পলিটিক্স সাইন্স এর প্রধান . রাহুল মুখার্জি, ড. হানস হারডার এবং ড. মার্টিন গাইজেলমান  বলেন- ‘বাংলাদেশ উন্নতির দিকে এগিয়েছে সক্রিয়ভাবে সকল দেশের সহযোগিতায়  সন্ত্রাস বিরোধী আন্দোলন করতে হবেসন্ত্রাস দমনে  শেখ হাসিনা সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অনেক দেশের জন্যেই অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।’
 
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমন্ত্রিত অতিথি জার্মানী সফররত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি  বলেন- ‘সন্ত্রাস দমনসহ দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে জার্মান সরকারের অবদান বাংলাদেশ সরকার কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।’
 
বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান খসরুর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন-সংগঠনের উপদেষ্টা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মহসিন হায়দার মনি, সাধারণ সম্পাদক- মিসেস সাবরা খান, সিনিয়র সহ সভাপতি সাগির খান স্বপন এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম পুলক  প্রমুখ।
 
বক্তারা  বলেন-‘প্ৰধানমন্ত্ৰী শেখ  হাসিনার সরকার যেভাবে শক্ত হাতে, ক্ষুধা দরিদ্ৰ নিৰ্মূলে সফল ঠিক তেমনি জঙ্গী দমনেও সাফল্যের সাক্ষর রেখেছেন।’
 
উল্লেখ্য, জার্মানীর হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটি সাউথ এশিয়া ইনষ্টিটিউট এমনি একটি প্রতিষ্ঠান যেখানকার অধ্যাপক এবং কর্মীবৃন্দ বাংলাদেশসহ  দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক গতি প্রকৃতি নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করে থাকেন। তাদের গবেষণালব্ধ সুপারিশ অনুয়ায়ী জার্মান সরকার বেশীরভাগ সময় তাদের বিদেশনীতি নির্ধারণ করে থাকেন। এই ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশের জন্যে একটি চেয়ার সংরক্ষিত আছে, যেখানে বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে নির্ধারিত যে কোনো অধ্যাপক লেকচার প্রদান করতে পারেন। যাতে করে জার্মানি সরকারের কাছে বাংলাদেশে সম্পর্কে একটি ইতিবাচক ধারণা পৌঁছাবে।
সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি জাৰ্মানীতে হাইডেলবার্গ ইউনিভার্সিটি সাউথএশিয়া ইনষ্টিটিউটে বাংলাদেশ সরকার একজন অধ্যাপক নিয়োগের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের দ্রুত উদ্যোগ প্রত্যাশা করেন। 

সর্বাধিক পঠিত

  • অাজ
  • সপ্তাহে
  • মাসে
উপরে যান